ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে ১০০টি সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর

১. প্রশ্ন: ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোন দেশের নাগরিক?

উত্তর: বাংলাদেশের।

২. প্রশ্ন: ড. মুহাম্মদ ইউনূস কীসের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন?

উত্তর: শান্তিতে (Peace)।

৩. প্রশ্ন: কত সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল পুরস্কার পান?

উত্তর: ২০০৬ সালে।

৪. প্রশ্ন: ড. মুহাম্মদ ইউনূস কার সাথে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন?

উত্তর: গ্রামীণ ব্যাংক।

৫. প্রশ্ন: তিনি কোন ধারণার প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত?

উত্তর: ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit) ও সামাজিক ব্যবসা (Social Business)।

৬. প্রশ্ন: ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের নাম কী?

উত্তর: গ্রামীণ ব্যাংক।

৭. প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর: ১৯৮৩ সালে।

৮. প্রশ্ন: ক্ষুদ্রঋণ কী?

উত্তর: জামানতবিহীন ছোট অঙ্কের ঋণ, যা সাধারণত দরিদ্র ও উদ্যোক্তাদের দেওয়া হয়।

৯. প্রশ্ন: "সামাজিক ব্যবসা" বলতে ড. ইউনূস কী বোঝান?

উত্তর: এমন একটি ব্যবসা যা কেবল মুনাফা অর্জন নয়, বরং একটি সামাজিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে পরিচালিত হয়।

১০. প্রশ্ন: ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জন্ম কত সালে?

উত্তর: ১৯৪০ সালের ২৮ জুন।

১১. প্রশ্ন: তিনি কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর: চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে।

১২. প্রশ্ন: তার বাবার নাম কী ছিল?

উত্তর: হাজী দুলা মিয়া সওদাগর।

১৩. প্রশ্ন: তার মায়ের নাম কী ছিল?

উত্তর: সুফিয়া খাতুন।

১৪. প্রশ্ন: ড. ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগে শিক্ষকতা করেছেন?

উত্তর: অর্থনীতি বিভাগে।

১৫. প্রশ্ন: তিনি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন?

উত্তর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় (যুক্তরাষ্ট্র)।

১৬. প্রশ্ন: তিনি কোন দেশের ফুলব্রাইট স্কলার ছিলেন?

উত্তর: যুক্তরাষ্ট্রের।

১৭. প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?

উত্তর: গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটানো।

১৮. প্রশ্ন: ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংক কোন নীতি অনুসরণ করে?

উত্তর: জামানতবিহীন ঋণ, গোষ্ঠীভিত্তিক ঋণ এবং নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ।

১৯. প্রশ্ন: ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণা কোথা থেকে পেয়েছিলেন?

উত্তর: ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে বাংলাদেশের গ্রামীণ দারিদ্র্য কাছ থেকে দেখে।

২০. প্রশ্ন: তার নোবেল পুরস্কারের সম্মাননা স্মারকটি কোথায় সংরক্ষিত আছে?

উত্তর: গ্রামীণ ব্যাংক ভবনে।

২১. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপক ছিলেন?

উত্তর: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

২২. প্রশ্ন: তিনি তার "সামাজিক ব্যবসা" ধারণাটি কোন বইতে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন?

উত্তর: "Creating a Social Business: The New Kind of Capitalism That Serves Humanity's Most Pressing Needs"।

২৩. প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?

উত্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।

২৪. প্রশ্ন: ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সাধারণত কাদের ক্ষমতায়ন করা হয়?

উত্তর: বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের।

২৫. প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংকের কয়টি সহ-প্রতিষ্ঠান রয়েছে?

উত্তর: গ্রামীণ ফান্ড, গ্রামীণ শক্তি, গ্রামীণ ফোন ইত্যাদি।

২৬. প্রশ্ন: ড. ইউনূস কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য?

উত্তর: গ্লোবাল এডার্স (Global Elders) - যদিও তিনি পরে এর সাথে তার সম্পৃক্ততা কমিয়ে আনেন।

২৭. প্রশ্ন: তিনি কোন দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার 'প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম' পেয়েছেন?

উত্তর: যুক্তরাষ্ট্রের।

২৮. প্রশ্ন: কত সালে তিনি 'প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম' পান?

উত্তর: ২০০৯ সালে।

২৯. প্রশ্ন: তিনি কোন দেশের সর্বোচ্চ সম্মান 'কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল' পেয়েছেন?

উত্তর: যুক্তরাষ্ট্রের।

৩০. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসকে কয়টি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে?

উত্তর: ৫০টিরও বেশি (বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন সংখ্যা)।

৩১. প্রশ্ন: তিনি কোন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির একজন সম্মানিত সদস্য?

উত্তর: আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (IOC)।

৩২. প্রশ্ন: ড. ইউনূসের আত্মজীবনীমূলক বইয়ের নাম কী?

উত্তর: "ব্যাংকার টু দ্য পুওর" (Banker to the Poor)।

৩৩. প্রশ্ন: এই বইটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ১৯৯৯ সালে।

৩৪. প্রশ্ন: ক্ষুদ্রঋণ ছাড়াও ড. ইউনূসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা কী?

উত্তর: জিরো নেট কার্বন ইমিশন, জিরো পোভার্টি, জিরো আনএমপ্লয়মেন্ট।

৩৫. প্রশ্ন: ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কেন "দারিদ্র্য দূরীকরণের পথিকৃৎ" বলা হয়?

উত্তর: ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে তার অসামান্য অবদানের জন্য।

৩৬. প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যক্রম কী?

উত্তর: ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ, ক্ষুদ্র সঞ্চয় সংগ্রহ এবং সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা।

৩৭. প্রশ্নঃ গ্রামীণ ব্যাংকের সফলতার পেছনে অন্যতম কারণ কী?

উত্তর: নারীদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন এবং তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন।

৩৮. প্রশ্ন: ড. ইউনূস কী ধরনের পুঁজিবাদের সমালোচনা করেছেন?

উত্তর: এমন পুঁজিবাদ যা শুধুমাত্র মুনাফা অর্জনকে কেন্দ্র করে, সামাজিক সমস্যার সমাধানে গুরুত্ব দেয় না।

৩৯. প্রশ্ন: তিনি কোন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সদস্য ছিলেন?

উত্তর: ইউএন ফাউন্ডেশন।

৪০. প্রশ্ন: ড. ইউনূস কোন আন্তর্জাতিক ফোরামে "সামাজিক ব্যবসা" ধারণাটি তুলে ধরেন?

উত্তর: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডাব্লিউইএফ) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সম্মেলন।

৪১. প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংক বিশ্বের কতটি দেশে ক্ষুদ্রঋণ ধারণা প্রচারে সহায়তা করেছে?

উত্তর: শতাধিক দেশে।

৪২. প্রশ্ন: ড. ইউনূস কোন ধরনের উদ্যোক্তা তৈরিতে উৎসাহ দেন?

উত্তর: সামাজিক উদ্যোক্তা।

৪৩. প্রশ্ন: তার সামাজিক ব্যবসার মডেলের মূল লক্ষ্য কী?

উত্তর: টেকসই সামাজিক সমাধান তৈরি করা।

৪৪. প্রশ্ন: ড. মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমানে কী হিসেবে পরিচিত?

উত্তর: সামাজিক উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্রঋণ প্রবক্তা ও নোবেল বিজয়ী।

৪৫. প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংক তার কর্মীদের জন্য কোন ধরনের সুবিধা প্রদান করে?

উত্তর: স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, শিক্ষা ইত্যাদি।

৪৬. প্রশ্ন: ড. ইউনূস কোন ধরনের ব্যাংক মডেলের বিরোধিতা করেন?

উত্তর: প্রথাগত ব্যাংক মডেল, যা দরিদ্রদের ঋণ দিতে আগ্রহী নয়।

৪৭. প্রশ্ন: তিনি দারিদ্র্যকে কী হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন?

উত্তর: মানবসৃষ্ট একটি সমস্যা, যা দূর করা সম্ভব।

৪৮. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের মানুষের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?

উত্তর: অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের।

৪৯. প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংক কীভাবে তার ঋণগ্রহীতাদের সঞ্চয়ে উৎসাহিত করে?

উত্তর: ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্প এবং বিভিন্ন আর্থিক শিক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে।

৫০. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসের কাজ জাতিসংঘের কোন উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করে?

উত্তর: দারিদ্র্য বিমোচন, লিঙ্গ সমতা, খাদ্য নিরাপত্তা ইত্যাদি।

৫১. প্রশ্ন: ড. ইউনূসের মতে, কেন দরিদ্রদের ঋণ পাওয়া উচিত?

উত্তর: তাদের উদ্যোক্তা শক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য এবং স্বনির্ভর হওয়ার জন্য।

৫২. প্রশ্নঃ গ্রামীণ ব্যাংক কীভাবে দারিদ্র্যকে 'সংগ্রহশালায়' পাঠানোর কথা বলে?

উত্তর: সফল ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্যকে ইতিহাস করে ফেলার ইঙ্গিত করে।

৫৩. প্রশ্ন: ড. ইউনূস কোন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কথা বলেন?

উত্তর: মানবকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

৫৪. প্রশ্ন: তিনি কি রাজনীতিতে সরাসরি জড়িত ছিলেন?

উত্তর: না, তিনি সরাসরি রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না।

৫৫. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসের নোবেল পুরস্কারের অর্থ দিয়ে কী করা হয়েছিল?

উত্তর: একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছিল যা সামাজিক ব্যবসা প্রচারে ব্যয় করা হয়।

৫৬. প্রশ্ন: তার প্রথম কর্মজীবনের শুরু কোথায় হয়েছিল?

উত্তর: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা দিয়ে।

৫৭. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস তার নোবেল ভাষণে কোন বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন?

উত্তর: দারিদ্র্যকে একটি বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা এবং এর সমাধানে সকলের অংশগ্রহণ।

৫৮. প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংক কাদের লক্ষ্য করে কাজ করে?

উত্তর: ভূমিহীন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও দরিদ্র নারীদের।

৫৯. প্রশ্নঃ তিনি কোন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের সদস্য ছিলেন?

উত্তর: কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০. প্রশ্ন: ড. ইউনূসকে নিয়ে কোনো চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে কি?

উত্তর: হ্যাঁ, তার জীবন ও কাজ নিয়ে বিভিন্ন তথ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে।

৬১. প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংক কীভাবে তার ঋণগ্রহীতাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তা করে?

উত্তর: ছোট ব্যবসা শুরু করতে, শিশুদের স্কুলে পাঠাতে এবং স্বাস্থ্যসেবা পেতে সহায়তা করে।

৬২. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস কোন সামাজিক আন্দোলনকে সমর্থন করেন?

উত্তর: পরিবেশ সুরক্ষা, মানবাধিকার এবং শান্তি আন্দোলন।

৬৩. প্রশ্ন: তিনি কোন বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন করেছেন?

উত্তর: অর্থনীতিতে।

৬৪. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস বাংলাদেশের কোন গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ইস্যুতে কথা বলেন?

উত্তর: নারী ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন।

৬৫. প্রশ্নঃ গ্রামীণ ব্যাংক কি কোনো প্রচলিত বাণিজ্যিক ব্যাংক?

উত্তর: না, এটি একটি অ-মুনাফাভোগী ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

৬৬. প্রশ্ন: ড. ইউনূস কোন আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন যা 'এশিয়ার নোবেল' নামে পরিচিত?

উত্তর: রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার।

৬৭. প্রশ্নঃ কত সালে তিনি রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান?

উত্তর: ১৯৮৪ সালে।

৬৮. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসের কাজের মূল দর্শন কী?

উত্তর: প্রতিটি মানুষের মধ্যে সুপ্ত ক্ষমতা আছে, যা সঠিক সুযোগ পেলে প্রকাশ পেতে পারে।

৬৯. প্রশ্নঃ তিনি কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করেছেন?

উত্তর: জাতিসংঘ।

৭০. প্রশ্নঃ গ্রামীণ ব্যাংক তার কর্মীদের কীভাবে অনুপ্রাণিত করে?

উত্তর: সামাজিক প্রভাব সৃষ্টির মাধ্যমে এবং একটি মহৎ উদ্দেশ্য পূরণের মাধ্যমে।

৭১. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস "অর্ধেক দুনিয়া" ধারণা দিয়ে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর: নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে সক্রিয় করা।

৭২. প্রশ্নঃ তিনি কোন ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহারে উৎসাহ দেন?

উত্তর: সহজলভ্য এবং দরিদ্রবান্ধব প্রযুক্তি।

৭৩. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস কি কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত ছিলেন?

উত্তর: না, তিনি রাজনৈতিক দল থেকে দূরে ছিলেন।

৭৪. প্রশ্নঃ গ্রামীণ ব্যাংকের প্রথম ঋণগ্রহীতা কে ছিলেন?

উত্তর: সুফিয়া বেগম (এটি একটি প্রতীকী উদাহরণ, প্রথম ঋণগ্রহীতা অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ছিলেন)।

৭৫. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসের কাজের প্রধান চ্যালেঞ্জ কী ছিল?

উত্তর: প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার ধারণা পরিবর্তন করা এবং দরিদ্রদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা।

৭৬. প্রশ্নঃ তিনি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করেছেন?

উত্তর: ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র।

৭৭. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসকে নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে কতগুলো গবেষণা ও প্রকাশনা হয়েছে?

উত্তর: অসংখ্য।

৭৮. প্রশ্নঃ তিনি কোন সংস্থার সাথে মিলে "সামাজিক ব্যবসা" সম্মেলন আয়োজন করেন?

উত্তর: ইউনূস সেন্টার।

৭৯. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস কেন দরিদ্রদের "ব্যাংক অযোগ্য" হিসেবে বিবেচনা করাকে ভুল মনে করেন?

উত্তর: তার মতে, দরিদ্ররাও নির্ভরযোগ্য ঋণগ্রহীতা হতে পারে যদি তাদের সঠিক সুযোগ দেওয়া হয়।

৮০. প্রশ্নঃ তার কাজের প্রভাব কী?

উত্তর: দারিদ্র্য হ্রাস, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষায় অগ্রগতি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ।

৮১. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসকে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী চিন্তাবিদ হিসেবে গণ্য করা হয় কেন?

উত্তর: তার উদ্ভাবনী ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ব্যবসার ধারণার জন্য।

৮২. প্রশ্নঃ তিনি জাতিসংঘের কোন এজেন্ডাকে সমর্থন করেন?

উত্তর: ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs)।

৮৩. প্রশ্নঃ গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের হার কেমন?

উত্তর: অত্যন্ত উচ্চ, প্রায় ৯৮-৯৯%।

৮৪. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস কোন পুরস্কারটি পেয়েছেন যা বিশ্বের 'শান্তি দূত' হিসেবেও বিবেচিত?

উত্তর: নোবেল শান্তি পুরস্কার।

৮৫. প্রশ্নঃ গ্রামীণ ব্যাংক কীভাবে তার সদস্যদের মধ্যে নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তা করে?

উত্তর: গোষ্ঠীভিত্তিক ঋণ এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে।

৮৬. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসকে নিয়ে বিতর্কের বিষয় কী ছিল?

উত্তর: গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদ থেকে তার অপসারণ এবং কিছু আর্থিক বিষয় নিয়ে বিতর্ক।

৮৭. প্রশ্নঃ তিনি কি কোনো সরকারি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন?

উত্তর: না, তিনি সরাসরি কোনো সরকারি পদে ছিলেন না।

৮৮. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস কোন আন্তর্জাতিক সম্মান পেয়েছেন, যা 'চার্চিল মেডেল' নামেও পরিচিত?

উত্তর: উইনস্টন চার্চিল মেডেল (যদিও এটি একটি কম পরিচিত পুরস্কার)।

৮৯. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসের মতে, "অর্থনীতি" এর সঠিক উদ্দেশ্য কী?

উত্তর: মানবকল্যাণ সাধন করা।

৯০. প্রশ্নঃ গ্রামীণ ব্যাংক ছাড়াও তার প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি সামাজিক ব্যবসার উদাহরণ দিন।

উত্তর: গ্রামীণ শক্তি (গ্রামীণ নবায়নযোগ্য শক্তি), গ্রামীণ ড্যানোন (পুষ্টিকর দই), গ্রামীণ কল্যাণ (স্বাস্থ্যসেবা)।

৯১. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস কি "পিপল'স চয়েস অ্যাওয়ার্ড" পেয়েছেন?

উত্তর: না, এই পুরস্কারটি তিনি পাননি।

৯২. প্রশ্নঃ গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের অধিকাংশ কে?

উত্তর: নারী।

৯৩. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস কোন আন্তর্জাতিক ফোরামে "দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব" গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন?

উত্তর: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ, বিশ্ব ব্যাংক এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সম্মেলনে।

৯৪. প্রশ্নঃ তিনি কোন ধরনের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করার কথা বলেন?

উত্তর: আয় ও সম্পদের বৈষম্য।

৯৫. প্রশ্নঃ ড. ইউনূস কি "ফোর ফ্রিডমস অ্যাওয়ার্ড" পেয়েছেন?

উত্তর: হ্যাঁ, তিনি এই পুরস্কার পেয়েছেন।

৯৬. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসের কাজের সমালোচকরা কী যুক্তি দেন?

উত্তর: ক্ষুদ্রঋণ কিছু ক্ষেত্রে ঋণগ্রস্ততা বাড়ায় বা উচ্চ সুদের হার থাকে।

৯৭. প্রশ্নঃ তিনি কি বাংলাদেশের কোন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিত্ব করেছেন?

উত্তর: হ্যাঁ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

৯৮. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসের সর্বশেষ প্রকাশিত বইয়ের নাম কী?

উত্তর: "এ ওয়ার্ল্ড অফ থ্রি জিরোস" (A World of Three Zeros)।

৯৯. প্রশ্নঃ এই বইটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ২০১৭ সালে।

১০০. প্রশ্নঃ ড. ইউনূসের নোবেল প্রাপ্তি বাংলাদেশের জন্য কী অর্থ বহন করে?

উত্তর: দেশের সম্মান বৃদ্ধি, ক্ষুদ্রঋণ ধারণার বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে নতুন আশার সঞ্চার।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url